আপডেট : ২৯ জানুয়ারী, ২০১৬ ২১:২৫

মৃত্যুর কাছে হেরেই গেলেন পূর্ণিমা

বিডিটাইমস ডেস্ক
মৃত্যুর কাছে হেরেই গেলেন  পূর্ণিমা

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলার বেলোয়া চৌধুরীপাড়ার রবিউল ইসলামের মেয়ে।টানা ২৮ দিন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে না ফেরা দেশে চলে গেলেন এসিডে ঝলসে যাওয়া গৃহবধূ পূর্ণিমা (২০)। 

শুক্রবার ভোরে বগুড়া জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

যৌতুক দাবি পূরণ করতে না পারায় গত ১২ই জানুয়ারি গৃহবধু পূর্ণিমার শরীরে এসিড দেয় তার স্বামী মো. সুমন। আহত অবস্থায় শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে শুক্রবার তার মৃত্যু হয়।তবে অভিযুক্ত স্বামী ও শ্বাশুড়ী পলাতক রয়েছে।

নিহতের স্বজনরা জানান, প্রায় দুই বছর আগে বগুড়া সদর উপজেলার মাটিডালী হাজীপাড়া এলাকার মোহাম্মদ আলীর ছেলে সুমনের সঙ্গে দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলার বেলোয়া চৌধুরীপাড়ার রবিউল ইসলামের মেয়ে পূর্ণিমার বিয়ে হয়। বিয়ের পর তাদের ঘরে এক ছেলে সন্তান জন্ম নেয়।

তারা আরও জানান, বিয়ের সময় পূর্ণিমার বাবা সুমনকে নগদ ৮০ হাজার টাকা যৌতুক দেন। এছাড়া, প্রায় ৬০ হাজার টাকার বিভিন্ন আসবাপত্র কিনে দেন। বিয়ের তিন মাস যেতে না যেতেই সুমন শ্বশুরের কাছে আরও ১০ হাজার টাকা যৌতুক দাবি করেন। তবে শ্বশুর সেই টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন। আর এই টাকার জন্য সুমন ও তার মা সুলতানা বেগম মিলে পূর্ণিমার ওপর নির্যাতন শুরু করেন। প্রায়ই তাকে মারধর করতে থাকেন।  
 
স্বজনদের অভিযোগ, গত ১ জানুয়ারি সুমন ও তার মা মিলে নির্যাতনের একপর্যায়ে পূর্ণিমার মুখে এসিড ঢেলে দেন। পূর্ণিমার অবস্থা গুরুতর হলে বগুড়া জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আর সেখানেই তিনি মারা যান।

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/আরকে

উপরে