আপডেট : ২৭ জানুয়ারী, ২০১৬ ২২:০৪

দাফনের সাড়ে পাঁচ মাস পর দুই ছাত্রীর লাশ উত্তোলন

বিডিটাইমস ডেস্ক
দাফনের সাড়ে পাঁচ মাস পর দুই ছাত্রীর লাশ উত্তোলন

মাদারীপুর সদর উপজেলার মস্তফাপুর গ্রামের দুই স্কুলছাত্রী সুমাইয়া ও হ্যাপি আক্তার। ২০১৫ সালের ১৩ আগস্ট মস্তফাপুর বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে বাড়ি ফেরার পথে অপহরণের পর ধর্ষণ শেষে বিষ খাইয়ে হত্যা করে বখাটেরা। পরে ঐ দুই ছাত্রীকে সদর হাসপাতালে ফেলে রেখে বখাটেরা পালিয়ে যায়।

১৪ আগস্ট নিহত সুমাইয়ার বাবা বিল্লাল শিকদার সদর থানায় একটি হত্যা মামলা ও ১৩ সেপ্টেম্বর হ্যাপীর মা মুক্তা বেগম বাদী হয়ে মাদারীপুর নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইবুন্যাল আদালতে রানা নাগাসীকে প্রধান আসামীসহ ৮ জনের নাম উল্লেখ করে ধর্ষণ শেষে বিষ খাইয়ে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

এ ঘটনায় মাদারীপুর সদর হাসপাতালের ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন নিহতের পরিবারের সন্তোষজনক না হওয়ায় হাইকোর্টে আবেদন করে। এরই প্রেক্ষিতে ১৩ জানুয়ারি হাইকোর্টের বিচারক এম এনায়েতুর রহিম ও বিচারক আমির হোসাইনের দ্বৈত বেঞ্চ লাশ উত্তোলন করে পুনরায় ময়নাতদন্তের নির্দেশ দেন।

২৭ জানুয়ারি বুধবার বেলা ১২টার দিকে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বদরুদ্দোজা শুভ’র উপস্থিতিতে লাশ উত্তোলন করা হয়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য,  এ মামলায় ৪ জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রানা ব্যতীত রকিব, শিপন ও রফিকুল সম্প্রতি জামিনে মুক্তি পায়। বাকি আসামীরা এখনো পলাতক। বর্তমানে মামলা দুটি সিআইডির হাতে তদন্তাধীন থাকলেও দীর্ঘ সাড়ে ৫ মাসে চার্জশিট দাখিল করা সম্ভব হয় নি।

সুমাইয়ার পিতা বিল্লাল শিকদার বলেন, “আমরা বিচার বিভাগ ও প্রশাসনের প্রতি খুশি। আশাকরি এখন সুষ্ঠু তদন্তের পর নায্য বিচার পাব।” হ্যাপির মা মুক্তা বেগম বলেন, “আমার বুক যারা খালি করেছে তারা যেন কঠিন শাস্তি পায়। যাতে আর কোন মায়ের বুক এভাবে খালি না হয়।”

 

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/জেডএম

উপরে