আপডেট : ২০ জানুয়ারী, ২০১৬ ১২:৪৯

প্রভাবশালীদের দখলে নবীনগরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, উদ্ধারের আবেদন

এস এ রুবেল, নবীনগর প্রতিনিধি
প্রভাবশালীদের দখলে নবীনগরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, উদ্ধারের আবেদন

ব্রাক্ষণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার কনিকাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ৭৭ শতক জায়গা দখলে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে। মাত্র ২৩ শতক জায়গার মধ্য কোনোরকম টিকে আছে বিদ্যালয়টি।

বিদ্যালয়ের বর্তমান ম্যানেজিং কমিটির সচেতন সদস্যরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট অবৈধভাবে দখলকৃত বিদ্যালয়ের জায়গা উদ্ধারের আবেদন জানিয়েছেন।

আবেদনে প্রভাবশালী দখলদার মরহুম শফিকুল ইসলাম চৌধুরী, হান্নান চৌধুরী, আবদুল মান্নান চৌধুরী, দুলাল চৌধুরী, জালাল উদ্দিন চৌধুরী, মমিন চৌধুরী, মরহুম নুরুল আমিন চৌধুরী, লোকমান চৌধুরী, তাদের কাছ থেকে দখল হওয়া ভূমি উদ্ধার করে বিদ্যালয় উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা কামনা করা হয়।

সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, এলাকার শিক্ষানুরাগী সমাজসেবক কালন মিয়া চৌধুরী, আলি আহম্মদ ছৌধুরী, ছাদ উদ্দিন চৌধুরী, রিয়াজ উদ্দিন চৌধুরী পৈত্রিক ওয়ারিশ সুত্রে মালিক হয়ে এবং গরীব হোসেন খরিদ সুত্রে মালিক হয়ে এক একর (১০০শতক) নাল ভুমি কণিকাড়া জুনিয়র হাইস্কুল প্রতিষ্ঠার জন্য দান করেন। উক্ত ভূমি ১৯৭৪ সালে ১৮ মার্চ নবীনগর সাব-রেজিষ্ট্রারী অফিসে দানপত্র দলিল সম্পাদন করা হয়।

স্কুল প্রতিষ্ঠার পর কালক্রমে প্রভাশালীরা স্কুল ম্যানেজিং কমিটিতে বিভিন্ন সময়ে অর্ন্তভূক্ত হয়ে স্কুলের ৭৭ শতক ভূমি অবৈধভাবে নিজেদের নামে পচরা খতিয়ান করে দখল করে নেয়।

অভিযুক্ত দখলদারদের অন্যতম নেতা আবদুল মান্নান চৌধুরীর সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি এ বিষয়ে বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম এর প্রতিনিধির সঙ্গে কথা বলতে রাজি হননি।

স্কুল ম্যানেজিং কমিটির অভিভাবক সদস্য মো. আবদুর রহমান, মো. আবদুল কাদির বলেন, স্কুল উন্নয়নের স্বার্থে দখলকৃত ভুমি উদ্ধার হওয়া প্রয়োজন। দখলকৃত জায়গাগুলোতে ফ্লাটসেন্টাররসহ স্কুল অবকাঠামো উন্নয়নে আমাদের পরিকল্পনা রয়েছে, এসব বিষয়গুলো আমরা এমপি মহোদয়কে জানিয়েছি, জায়গাগুলোর উদ্ধারের জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

এ ব্যাপারে উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মো. মোশারফক হোসেন সরকার বলেন, ‘সাফ-কাওলা দানপত্র পত্র দলিল মূলে স্কুল ১ একর জমির মালিক কিন্তু ৯০/৯১ সালে জরিপকালে অবৈধভাবে দখলকারিরা জরিপ করিয়ে ১৯টি পরচায় ৭৭ শতাংশ জমি নিয়ে নেয়। স্কুল যেহেতু এমপিভুক্ত সেহেতু সরকার এ সম্পত্তির মালিক, সংশ্লিষ্ট  কর্তৃপক্ষ উক্ত জমি উদ্ধারের কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে আশা করি।’

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আজিজুল ইসলাম বলেন, ‘জায়গা সম্পৃক্ত বিষয়গুলো বিজ্ঞ আদালতের এখতিয়ার, আমি তাদের বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে বিষয়টি মিমাংসার পরার্মশ দিয়েছি।’

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/পিএম

 

উপরে