আপডেট : ১৯ জানুয়ারী, ২০১৬ ১৩:২৪

মোহনগঞ্জে ৪ গ্রামবাসীর সংঘর্ষ, আহত ২০

অনলাইন ডেস্ক
মোহনগঞ্জে ৪ গ্রামবাসীর সংঘর্ষ, আহত ২০

নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে আন্ত: নগর ট্রেন হাওর এক্সপ্রেসের সিটে বসাকে কেন্দ্র করে রেলস্টেশন ও বাসস্ট্যান্ড এলাকায় সোমবার বিকালে ৪ গ্রামবাসীর সংঘর্ষে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।

সংঘর্ষ থামাতে পুলিশ অন্তত ৬৫ রাউন্ড গুলি ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এতে গুলিবিদ্ধ ২ কাউন্সিলরসহ গুরুতর আহত ৯ জনকে মোহনগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

ঘটনার পরপরই নেত্রকোনা থেকে অতিরিক্ত পুলিশ এনে ঘটনাস্থলে মোতায়েন করা হয়েছে বলে মোহনগঞ্জ থানার ওসি মো. মেজবাহ উদ্দিন আহম্মেদ জানান।

স্থানীয়রা জানায়, সোমবার সকালে হাওর এক্সপ্রেসের ট্রেনের আসনে বসা নিয়ে নওহাল গ্রামের রকি ও টেংগাপাড়া গ্রামের পিয়াসের মধ্যে প্রথমে তর্কাতর্কি ও পরে সংঘর্ষ হয়। ওই সংঘর্ষে রকি তালুকদার (২৭) আহত হলে তাকে মোহনগঞ্জ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে বিকালে এর জের ধরে পৌর শহরের টেংগাপাড়া ও নওহাল এবং ১নং বড়কাশিয়া-বিরামপুর ইউনিয়নের বিরামপুর ও পানুর গ্রামের লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় উভয়পক্ষের শতাধিক লোক দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এ সময় আহত সাইদুল হক (৩৫), হৃদয় (২৩), আ. হান্নান (৫৮), হারুন অর রশিদ (৩৮) মোহনগঞ্জ হাসপাতালে নেওয়া হলে তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ময়মনসিংহে পাঠানো হয়।

সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে শর্টগানের গুলি নিক্ষেপ করে। এতে নওহাল গ্রামের বাসিন্দা পৌর কাউন্সিলর মজিদ মিয়া, টেংগাপাড়ার বাসিন্দা সাবেক কাউন্সিলর হীরা মিয়া, টেংগাপাড়ার ইমরান ও নওহালের রিপন মিয়া গুলিবিদ্ধ হন। পরে তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। এছাড়াও বিরামপুর ও পানুর গ্রামের আহতরা অন্যত্র প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।

মোহনগঞ্জ থানার ওসি মো. মেজবাহ উদ্দিন আহম্মেদ গুলি ছোড়ার সত্যতা স্বীকার করে জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/পিএম

উপরে