আপডেট : ১৮ জানুয়ারী, ২০১৬ ১৯:৫৬

চাকুরী জীবনের শেষদিনটা সুখকর হলনা ডাঃ শহিদুলের

বিডিটাইমস ডেস্ক
চাকুরী জীবনের শেষদিনটা সুখকর হলনা ডাঃ শহিদুলের

বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপপরিচালক ডাঃ শহিদুল ইসলাম।সোমবার ছিল তার দীর্ঘ চাকুরি জীবনের শেষ দিন।দীর্ঘ চাকুরি জীবনের শেষ দিনটি সবার ক্ষেত্রে একটু অন্যরকম।বিদায়ের আনুষ্ঠানিকতায় স্মৃতিচারণ, ভালবাসা আর শ্রদ্ধার জলে ভেসে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়ে থাকে।

কিন্তু ডাঃ শহিদুল ইসলামের ক্ষেত্রে ঘটেছে ঠিক উল্টোটি।বিদায়ের আনুষ্ঠানিকতা তো দুরের কথা অবসরের শেষ দিনটা অনেকটা লাঞ্চিত হয়ে অতিবাহিত করতে হয়েছে তাকে।

চাকুরির শেষ দিনে অনিয়মের দায়ে শিকার হতে হয়েছে বহিষ্কারের একই সাথে অবরুদ্ধ হয়ে থাকতে হয়েছে তারই নিয়োগ দেয়া কর্মচারীদের কাছে।

দায়িত্বপালন কালীন সময়ে হাসপাতালে তৃতীয় ও চতুর্থ কর্মচারী নিয়োগে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠে তিনিসহ হাসপাতালের পরিচালক ডা. মো. নিজাম উদ্দিন ফারুক,  প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. আব্দুল জলিলের বিরুদ্ধে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের নির্দেশে উচ্চপর্যায়ের একটি কমিটি গঠন করা হয়।কমিটি অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় অভিযুক্ত তিনজনকে সোমবারই মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

এতেই শেষ নয়,নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মচারীদের বেতন শীটে সাক্ষর করতে অস্বীকৃতি জানায় কর্মচারী কর্তৃক অবরুদ্ধের শিকার হন ডাঃ শহিদুল ইসলাম।সোমবার বিকাল তিনটা থেকে সাড়ে চারটা পর্যন্ত অবরুদ্ধ রাখে কর্মচারীরা।   

হাসপাতালের কর্মচারীরা জানান, সম্প্রতি তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেনীর কর্মচারী পদে মোট ২২৬ জনকে নিয়োগ দেয়া হয়। তারা ১ মাস দায়িত্ব পালনও করেছে। কিন্তু এখনও তাদের বেতন শীটে স্বাক্ষর হয়নি। একাধিকবার হাসপাতালের উপপরিচালককে বেতন শীটে স্বাক্ষর দেবার জন্য অনুরোধ করা হলেও তিনি তা শোনেনি।

এ কারনে সোমবার তিনি চাকুরীর শেষ দিনে বের হয়ে যাওয়ার সময় তাকে প্রশাসনিক ভবনে অবরুদ্ধ করা হয়। পরে বেতনশীটে স্বাক্ষর দেবার আশ্বাস দিলে তাকে ছেড়ে দেয়া হয়।

এ ব্যাপারে উপপরিচালক ডা. শহিদুল ইসলাম জানান,  তাদের নিয়োগ নিয়ে মন্ত্রণালয়ের নিষেধাজ্ঞা থাকায় বেতনশীটে স্বাক্ষর করা হয়নি।তবে কর্মচারীদের দাবির প্রেক্ষিতে বিষয়টি উর্দ্ধতন কতৃপক্ষের সাথে আলোচনা করে ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দেয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।

উপরে