আপডেট : ১৮ জানুয়ারী, ২০১৬ ১৯:৫৩

বরিশাল মেডিকেলের পরিচালকসহ তিনকে বরখাস্ত

বিডিটাইমস ডেস্ক
বরিশাল মেডিকেলের পরিচালকসহ তিনকে বরখাস্ত

বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক, উপপরিচালক ও প্রশাসনিক কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী নিয়োগ কার্যক্রমে অনিয়মের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাদের বরখাস্ত করা হয়।

সোমবার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত পৃথক ৩টি প্রজ্ঞাপন জারি করে।

বরখাস্তকৃতরা হলেন, নিয়োগ কমিটির সভাপতি ও মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. মো. নিজাম উদ্দিন ফারুক, নিয়োগ কমিটির সদস্য সচিব ও হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. মো. সহিদুল ইসলাম হাওলাদার ও নিয়োগ কমিটির সহায়তাকারী প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. আব্দুল জলিল।

এদের মধ্যে সোমবার ছিল উপপরিচালক ডা. মো. সহিদুল ইসলাম হাওলাদারের শেষ কর্মদিবস। মঙ্গলবার থেকে তার অবসরে যাওয়ার কথা রয়েছে।

Decrease font

Enlarge font

জানা গেছে, গত বছরের ২২ সেপ্টেম্বর বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণীর ১৭২ কর্মচারীর নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়। তাদের মধ্যে তৃতীয় শ্রেণীর পদ ১৫টি এবং চতুর্থ শ্রেণীর পদ ১৫৭টি। পরে পদসংখ্যা বাড়িয়ে ২২৬ জনকে নিয়োগ দেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। চতুর্থ শ্রেণীর পদে পরিচ্ছন্নতাকর্মী ৬৬ জনের মৌখিক পরীক্ষা এবং অন্যদের লিখিত পরীক্ষা নেওয়া হয়। চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীদের মৌখিক পরীক্ষা ৭ থেকে ৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয়। তৃতীয় শ্রেণীর পদে ১০ ডিসেম্বর মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া হয়। এর পর তড়িঘড়ি করে ১২ ও ১৩ ডিসেম্বর নিয়োগপ্রাপ্তরা যোগদান করেন।

লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী একাধিক শিক্ষার্থী অভিযোগ করেছেন, ভালো পরীক্ষা দেওয়ার পরও তারা উত্তীর্ণ হতে পারেননি। বিষয়টি তারা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছেন। এ ছাড়া বরিশাল অঞ্চলের একাধিক মন্ত্রী, এমপি ও আওয়ামী লীগের নেতারাও স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কাছে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ করেছেন। এরপরই স্বাস্থ্যমন্ত্রী নিয়োগ প্রক্রিয়া স্থগিত রাখার নির্দেশ দেন।

অনিয়ম তদন্তে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়। ওই কমিটির তদন্তে প্রাথমিকভাব অনিয়মের অনিয়মের অভিযোগ প্রমাণিত হয়।

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/আরকে

উপরে