আপডেট : ১৭ জানুয়ারী, ২০১৬ ১৮:৩৪

বরিশালে আমনের ন্যায্যমূল্য নিয়ে সংশয়

নিজস্ব প্রতিবেদক
বরিশালে আমনের ন্যায্যমূল্য নিয়ে সংশয়

বোরো মৌসুমে ধানের ন্যায্যমূল্য পাননি বৃহত্তর বরিশালের কৃষকেরা।এবার আমন ধানের ন্যায্যমূল্য নিয়েও সংশয় দেখা দিয়েছে।

গত মৌসুমে সরকার ধানের যে মুল্য নির্ধারণ করে দিয়েছিল তাতে উৎপাদন খরচই উঠাতে পারেননি কৃষকেরা।যে কারণে অনেক কৃষক ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছিল।

চলতি মৌসুমেও ধানের ন্যায্যমূল্য পাওয়া নিয়ে একই আশংকা প্রকাশ করেছেন কৃষকরা। তবে কৃষি বিভাগ জানিয়েছে শিগগিরই চালের দাম নির্ধারণ করা হবে । আর এতে কৃষক ন্যায্যমূল্য পাবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন তারা।  

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের বরিশাল উপ-পরিচালক রমেন্দ্রনাথ বাড়ৈ জানান, চলতি বছর উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ২১ হাজার ৮৮৮ হেক্টর। এর মধ্যে উপসি রোপা আমন ৪৫ হাজার ৯৪৮ হেক্টর এবং স্থানীয় রোপা আমন ৭৫ হাজার ৯৪০ হেক্টর। ফলন ভাল হওয়ায় আমন উৎপাদনে লক্ষ্যমাত্রা এবার ছাড়িয়ে গেছে বলেও তিনি জানান। আর এ কারণে কৃষকের ন্যায্যমূল পাওয়া নিয়ে কোন সংশয় নেই।

প্রান্তিক কৃষক মো. লুৎফর আলী বলেন,  “বোরোতে লস খেয়েছি। এবারের অবস্থা ভাল দেখতেয়াছি না। আমাগো এদিগে বলতে গেলে ফসল এই একটাই। ধানের মণ বিক্রি হইতেছে ৫শ থেকে ৬শ টাকা। কিন্তু ৯০০-১০০০ না অইলে পোষাইবে না”।

এবার আমনের ফলন ভাল হয়েছে। দামের ব্যাপারে সরকারের সুনির্দিষ্ট নীতি থাকা উচিত বলে মনে করেন লুৎফর রহমান।

 

লাবলু মিয়া নামে অপর এক কৃষক জানান, ‘ফসল ভাল হয়েছে। যেখানে লাভের মুখ দেখার কথা সেখানে ন্যায্যমুল্য না পাওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি। ঘরে এখনো বোরো ধান আছে। বাজারে চালের দামও কম।’

তিনি আরও জানান, বাজার স্থিতিশীল রাখতে ও কৃষকদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতে সরকার প্রতি বছর অভ্যন্তরীণ বাজার থেকে আমন সংগ্রহ করে থাকে। এক্ষেত্রে ধানের পরিবর্তে সাধারণত মিলারদের কাছ থেকে চাল কেনা হয়। এতে কৃষকদের পরিবর্তে মিলার ও ফড়িয়ারা লাভবান হচ্ছে।

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/আরকে

উপরে