আপডেট : ১২ জানুয়ারী, ২০১৬ ১১:৫৩

নামের মিলে বিপত্তি!ফাঁসির আসামি ভেবে অন্যজনকে আটক

বিডিটাইমস ডেস্ক
নামের মিলে বিপত্তি!ফাঁসির আসামি ভেবে অন্যজনকে আটক

১০ জানুয়ারি রবিবার সকালে চট্টগ্রাম বিমানবন্দর এলাকা থেকে আনোয়ারুল আশরাফ চৌধুরীকে আটক করে র‌্যাব।

ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মনেকরে তাকে আটক করা হয়েছিল। শেষপর্যন্ত যাচাই-বাছাই শেষে আনোয়ারুলকে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ।

আনোয়ারুল আশরাফ চৌধুরী নামে ওই ব্যাক্তি ‘প্রকৃত আসামি না হওয়ায়’ সোমবার দুপুরে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ফটিকছড়ি থানার ওসি মফিজ উদ্দিন।

মফিজ উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, ‘‘রোববার সকালে গ্রেপ্তারের পর রাতে র‌্যাব-৭ আশরাফকে থানায় সোপর্দ করে।তদন্তে দেখা গেছে র‌্যাবের হাতে আটক হওয়া আশরাফ ও ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আশরাফ একই ব্যক্তি নন।”

দুজনের নাম ও ঠিকানাতেও ভিন্নতা আছে জানিয়ে তিনি বলেন, “দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির নাম আশরাফ হোসেন ওরফে বাবু, আর র‌্যাবের হাতে আটককৃত ব্যক্তির নাম আনোয়ারুল আশরাফ চৌধুরী।”

ফাঁসির আসামি আশরাফ (৩৬) পাইন্দং ইউনিয়নের আজিমপুর এলাকার বাসিন্দা। আর রোববার গ্রেপ্তার হওয়া আশরাফ (৩৪) সুন্দরপুর ইউনিয়নের আব্দুস সোবহান মুন্সীর বাড়ির মৃত আবুল কাশেম চৌধুরীর ছেলে।

২০০৪ সালের ২ এপ্রিল ফটিকছড়ির কারাবালা টিলার পাহাড়ি এলাকায় বেসরকারি বীমা প্রতিষ্ঠান গোল্ডেন লাইফ ইন্স্যুরেন্সের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা নূর খালেক মাস্টার ছুরিকাঘাতে খুন হন।

২০১৪ সালের ১৯ অগাস্ট চট্টগ্রাম জন নিরাপত্তা ট্রাইব্যুনাল ও বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. মমিন উল্লাহ আশরাফ হোসেন ওরফে বাবুকে মৃত্যুদণ্ড ও অন্য এক আসামিকে বেকসুর খালাস দেন।

ওই মামলায় খালাস পাওয়া গোলাম মোস্তফা ও হত্যাকাণ্ডের সময় গোল্ডেন লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির ব্যবস্থাপক বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান তৌহিদুল ইসলামও ‘র‌্যাবের হাতে আটক আশরাফ আর দণ্ডপ্রাপ্ত আশরাফ একই ব্যক্তি নন’ বলে শনাক্ত করেছেন।

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/এআর

উপরে