আপডেট : ৮ জানুয়ারী, ২০১৬ ০০:০৬

তিন খুনির ফাঁসি কার্যকর

বিডিটাইমস ডেস্ক
তিন খুনির ফাঁসি কার্যকর

যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে বৃহস্পতিবার (০৭ জানুয়ারি) রাত ১১ টা ৩ মিনিট থেকে ১১ টা ৪৫ মিনিটের মধ্যে তিন আসামিকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক জাসদ সভাপতি কাজী আরেফ আহমেদ ও কুষ্টিয়া জেলা জাসদের ৫ নেতার খুনি এরা। 
ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা আসামিরা হলেন- কুষ্টিয়া জেলার মিরপুর উপজেলার কুর্শা গ্রামের উম্মত মণ্ডলের ছেলে আনোয়ার হোসেন, একই গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে রাশেদুল ইসলাম ঝন্টু এবং একই উপজেলার রাজনগর গ্রামের ইসমাইল হোসেনের ছেলে সাফায়েত হোসেন হাবিব।
কারাগার সূত্র থেকে জানা যায়, এই তিন আসামির মধ্যে আনোয়ার হোসেন ও সাফায়েত হোসেন হাবিবকে রাত ১১ টা ৩ মিনিটে এবং রাশেদুল ইসলাম ওরফে ঝন্টুকে রাত ১১টা ৪৫ মিনিটে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। 
পাঁচ জাসদ নেতা হত্যা মামলায় ফাঁসির দণ্ডাদেশ পাওয়া নয়জনের মধ্যে একজন কারাগারে থাকা অবস্থায় মারা গেছেন। বাকি পাঁচজন পলাতক রয়েছেন। 
ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের জল্লাদ তানভীর হাসান রাজু ও হযরত আলী ফাঁসি কার্যকরে সহায়তা করেন।  
ফাঁসি কার্যকরের সময় উপস্থিত ছিলেন ডিআইজি (প্রিজন) টিপু সুলতান, যশোরের জেলা প্রশাসক ড. হুমায়ুন কবীর, পুলিশ সুপার আনিসুর রহমান, সিভিল সার্জন শাহাদাৎ হোসেন, যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার শাহজাহান আহমদ, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সোহেল হাসান, যশোরের সহকারী পুলিশ সুপার (সার্কেল-ক) ভাস্কর সাহা, কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি শিকদার আককাস আলীসহ পুলিশ ও র‌্যাবের উর্ধ্বর্তন কর্মকর্তারা।
১৯৯৯ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার কালিদাসপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠের জনসভায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত হন মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক জাসদ সভাপতি কাজী আরেফ আহমেদ, কুষ্টিয়া জেলা জাসদের তৎকালীন সভাপতি লোকমান হোসেন, সাধারণ সম্পাদক ইয়াকুব আলী, স্থানীয় জাসদ নেতা ইসরাইল হোসেন ও সমশের মণ্ডল।
রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা চেয়েছিলেন ফাঁসির দণ্ড পাওয়া রাশেদুল ও আনোয়ার। তবে তা নাকচ করে দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি। ফলে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ফাঁসির রায় কার্যকরের উদ্যোগ গ্রহণ করে।
 

উপরে