আপডেট : ৩ জানুয়ারী, ২০১৬ ১৯:০৮

অনিশ্চয়তায় বরিশালের দুটি সরকারি স্কুলের ভর্তি কার্যক্রম

বরিশাল প্রতিনিধি
অনিশ্চয়তায় বরিশালের দুটি সরকারি স্কুলের ভর্তি কার্যক্রম

বরিশালের নতুন দুটি সরকারি স্কুলের ভর্তি পরীক্ষা শেষ হলেও কার্যক্রম শুরু হওয়া অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। কারণ বরিশাল জিলা স্কুলের কলেজ ভবনে কার্যক্রম শুরু করার কথা থাকলেও ওই ভবন এখনও বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের দখলে রয়েছে।

জিলা স্কুল কর্তৃপক্ষ বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্যকে ভবন ছেড়ে দেবার জন্য চিঠি দিলেও তার এখনও কোন জবাব দেননি। বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. ইমামুল হক বললেন, কবে নাগাদ ওই ভবন ছাড়া যাবে সে নিশ্চয়তা তিনি দিতে পারছেন না। তবে বরিশাল জেলা প্রশাসক ড. গাজী সাইফুজ্জামান বললেন মন্ত্রনালয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েই পরবর্তী কার্যক্রম শুরু করা হবে।

বরিশাল সরকারি জিলা স্কুলের প্রধান শিক্ষক ও দুটি সরকারি স্কুলের ভর্তি কমিটির সদস্য সচিব সাবিনা ইয়াছমিন বলেন, ইতোমধ্যে বরিশালের দুটি সরকারি স্কুলের ভর্তি পরীক্ষা শেষ হয়েছে। আগামী ৬ জানুয়ারী ফলাফল ঘোষণা করা হবে। পরেরদিন ভর্তি কার্যক্রম শুরু করার কথা। কিন্তু এখনও ওই ভবন দখলে রয়েছে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়েরে অস্থায়ী কার্যালয় হিসেবে। তাদের গত ২৭ডিসেম্বর জিলা স্কুলের ভবন ছেড়ে দেবার জন্য মন্ত্রনালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী চিঠি দেয়া হলেও তারা কোন জবাব দেয়নি। এ কারণে শংকা রয়ে গেছে।

বরিশাল জেলা প্রশাসক ড. গাজী সাইফুজ্জামান বলেন, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের যে অস্থায়ী কার্যালয়টি বর্তমানে রয়েছে তা বরিশাল জিলা স্কুলের ভবন। বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম শুরু হবার সময় জিলা স্কুলের প্রধান শিক্ষকের কাছ থেকে অনাপত্তি পত্র নিয়ে তা শুরু করা হয়েছিলো। তখন মন্ত্রনালয় তাদের কোন অনুমতি দেয়নি। আর যদি দিয়েই থাকে তবে তা আমাদের দেখাক চিঠির উত্তরের মাধ্যমে। আমরা সে অনুসারে ব্যবস্থা নিব। এখানে লুকোচুরি করার কিছুই নেই। আর এ স্কুল দুটি প্রধানমন্ত্রীর ব্যাক্তিগত তহবিলের। পরবর্তী সিদ্ধান্ত মন্ত্রনালয়ের সাথে আলোচনা করেই নেয়া হবে।

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইমামুল হক বলেন, তাকে একটি চিঠি দিয়েছেন বরিশাল সরকারি জিলা স্কুলের প্রধান শিক্ষক। আর ওই চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী ভবন ছেওে দিতে। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী ভবন আমাদের শিক্ষামন্ত্রনালয় থেকে দেয়া হয়েছে। আমরা কেন জিলা স্কুলের প্রধান শিক্ষকের কথায় তা ছেড়ে দিবো। তাই চিঠির কোন উত্তরও দেইনি। আর ওই ভবনে এখনও আমাদের চারটি বিভাগের পাঠদান করানো হচ্ছে। নতুন ভবনের কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত কখনই অস্থায়ী কার্যালয় ছেড়ে দেয়া সম্ভব নয় বলেও তিনি জানান। আর কবে নাগাদ নতুন ভবনের কাজ শেষ হবে তাও নিশ্চিত নয় বলে তিনি জানান। বিষয়টি নিয়ে মন্ত্রনালয়ের সাথে আলোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবার কথাও জানান তিনি।

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/জেডএম

উপরে