আপডেট : ৩ জানুয়ারী, ২০১৬ ১৩:১৪

সড়কের ওপর ছাত্রলীগের শুভেচ্ছা বিলবোর্ড!

বরিশাল প্রতিনিধি
সড়কের ওপর ছাত্রলীগের শুভেচ্ছা বিলবোর্ড!

বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার (ট্রাফিক) এর কার্যালয়ের মাত্র একশ গজ দূরে বগুড়া পুলিশ ফাড়ি। ওই ফাড়িটির সামনে দিয়ে চলে গেছে বরিশালের সবচেয়ে ব্যাস্ততম নতুন বাজার সড়ক। নথুল্লাবাদ বাসস্টান্ড থেকে সদররোড পর্যন্ত এই সড়কটি যোগাযোগ রক্ষা করে।

বগুড়া পুলিশ ফাড়ির সামনে সড়কের মধ্যেই ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে শুভেচ্ছা বিলবোর্ড দিয়েছেন মহানগর ছাত্রলীগ নেতা পরিচয়দানকারী রইজ আহমেদ মান্না। কেবল বগুড়া ফাড়ির সামনেই নয় যুবলীগের কেন্দ্রীয় সদস্য সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর ছবি সাটানো ৬টি বিলবোর্ড নথুল্লাবাদ থেকে শুরু করে সদর রোড পর্যন্ত ঠিক সড়কের মাঝখানে দেয়া হয়েছে।

এ কারণে ওই সড়কসহ এর সাথে সংযুক্ত আরো ছয়টি শাখা সড়কে তিনদিন ধরে প্রচন্ড যানজট লেগেই আছে। পুলিশ ফাড়ির সামনেসহ ব্যস্ততম সড়কের ওপর এমন বিলবোর্ডগুলো সাটানো হলে পুলিশ বলছে এগুলোর অনুমতি সিটি করপোরেশন দেয় তাই আমরা সরাই না।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় নগরীর জেলখানা মোড় থেকে সড়কের মাঝখানে শুভেচ্ছা বিলবোর্ড দেয়া শুরু হয়। এরপর হাসপাতাল রোড অমৃত লালদে কলেজের সামনে সড়কের মাঝে, নতুন বাজার পুলিশ ফাড়ির সামনে সড়কের মাঝে, বিএম কলেজের সামনে সড়কের মাঝে, সরকারি গ্রন্থাগারের সামনে সড়কের মাঝে ও নথুল্লাবাদ ব্রীজের ঢালে সড়কের মাঝে চারকোনাকৃতি বিলবোর্ড ফেলে রাখা হয়েছে।

ওই সড়কটি দিয়ে চলাচলকৃত অধিকাংশ যানবাহন চালকদের সাথে কথা বলা হলে তারা বলেন, সড়কের মাঝে এমন বিলবোর্ড এরপূর্বে কোনদিন দেয়া হয়নি। বিলবোর্ডগুলোর কারণে গাড়ি চলাচলে খুব সমস্যা হচ্ছে। যানজট লেগে আছে তিনদিন ধরে।পুলিশ দেখেও কিছু করছেনা। এ বিলবোর্ডের কারণে কয়েকটি দুর্ঘটনাও ঘটেছে বলে দাবি চালকদের।

বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রনজিৎ দাস বলেন, আমরা বিলবোর্ড বসাতে কোন অনুমতি দেইনি। আর সড়কের মাঝে বিলবোর্ড বসানোর অনুমতি দেবার প্রশ্নই আসে না। এটা সরিয়ে ফেলা প্রশাসনের বিষয়। তারা হাত গুটিয়ে নিলে আমাদের কিছুই করার নেই।

উপরে