আপডেট : ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৫ ০৪:৫৬

সরিষা ক্ষেতে মৌমাছির খামারে কৃষকের ডাবল লাভ

নিজস্ব প্রতিবেদক
সরিষা ক্ষেতে মৌমাছির খামারে কৃষকের ডাবল লাভ

কুড়িগ্রামের রৌমারীতে দিগন্ত বিস্তৃত মাঠে হলুদ সরিষা ফুলে নয়নাভিরাম দৃর্ষ্যরে অবতারণা হয়েছে। হলুদ সরিষার ফুল,লক্ষ লক্ষ মৌমাছির গুনজন আর এর সাথে যোগ হয়েছে হাজার হাজার মৌ বাক্সের।

একদিকে ফলন বৃদ্ধি আবার সঙ্গে বাড়তি লাভ মধু। আর তাই রবি শস্য সরিষার সঙ্গে মৌমাছি পালন করে মধুর চাষ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলায়। কৃষি বিভাগের পরামর্শ ও সহযোগিতায় চলতি বছরে উপজেলায় সরিষা ক্ষেতে মধু চাষের ১৩টিট খামার গড়ে তোলা হয়েছে।

কোনো দুযোর্গ না এলে সরিষায় বাম্পার ফলনের পাশাপাশি কৃষক মধু বিক্রি করে লাভবান হবে এমন আশংকা করা হচ্ছে। সরিষা ক্ষেতে মৌমাছি খামার করে মধু চাষে উজ্জল সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়াছেন স্থানীয় কৃষি বিভাগ।

রৌমারী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আজিজুল হক  বলেন, সরিষা ক্ষেতে মৌমাছি থাকলে তা স্বাভাবিকের চেয়ে ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশ ফলন বাড়ে। এতে সরিষার ফুলে মৌমাছি যে পরাগায়ন ঘটায় তাতে সরিষার দানা ভালো হয় এবং ফলনও বাড়ে। যে সরিষা ক্ষেতে মৌমাছি নেই সেখানে ফলন কম হয়।

তিনি বলেন, সরিষা ক্ষেতে মধুর খামার গড়ে তোলার জন্য আমরা সব সময় কৃষককে উৎসাহ প্রদান করি। এর ফলে কৃষক দু'দিক থেকে লাভবান হবেন। একদিকে সরিষা থেকে যে মধু পাওয়া যাবে তা বিক্রি করে অর্থনৈতিকভাবে লাভবান, অন্যদিকে সরিষা ক্ষেতে মৌমাছি থাকায় সরিষার ফলন বেশি। এ বছর কৃষি বিভাগের সহযোগিতায় উপজেলায় ১০টি মৌমাছির খামারে দুই হাজারেরও বেশি মধুর বাক্স গড়ে তুলেছে কৃষক।

সরিষা ক্ষেতের মৌমাছির খামার গড়ে তোলার কারনে এ বছর রৌমারী থেকে প্রায় ৬০টন মধু পাওয়ার আশা করা হচ্ছে। যার বাজার দাম হবে দুই কোটি টাকা। একই ভাবে মৌমাছির খামার থাকার কারনে রৌমারীর কৃষক দেড়শ’ টন সরিষা বেশি পাবে।’

তাই মৌচাষীরা এই মধু চাষে সরকারের পৃষ্টপোষকতা পেলে আরো সাফল্য এবং অধিক লাভবান হবে পাশাপাশি অসংখ্য বেকার যুবকের কর্মসংস্থান হবে।

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/এসএম/

উপরে