আপডেট : ১১ মে, ২০১৯ ১৫:১১
ধর্মের আড়ালে জঙ্গিবাদ

বিশ্বজুড়ে নিরাপত্তার ঝুঁকিতে মুসলিমরা

সাজ্জাদুল ইসলাম নয়ন
বিশ্বজুড়ে নিরাপত্তার ঝুঁকিতে মুসলিমরা

ধর্মের নামে, ধর্মের অপব্যবহার করে জঙ্গিরা বিশ্বব্যাপী নিরীহ মানুষের ওপর নির্মম বর্বরতা চালাচ্ছে। বিশ্বের অন্যান্য অনেক দেশের মতো ভারতীয় উপমহাদেশেও জঙ্গিবাদ একটি প্রকট সমস্যা হিসেবে দেখা দিয়েছে। সম্প্রতি শ্রীলঙ্কায় ইস্টার সানডেতে চার্চ ও হোটেলে ভয়াবহ জঙ্গি হামলা চালায় ন্যাশনাল তাওহিদ জামায়াত নামের স্থানীয় একটি উগ্রবাদী সংগঠন। গোষ্ঠিটির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেটের (আইএস)। এই হামলায় নিহত হয় কমপক্ষে ২৯০ জন, আহত হয় পাঁচ শতাধিক মানুষ। হামলার দু’দিন পর জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট (আইএস) দায় স্বীকার এবং ধারাবাহিক আট বোমা হামলাকারীর ছবিও প্রকাশ করে।

শ্রীলঙ্কায় ভয়াবহ এই হামলার পরিকল্পনা ও প্রশিক্ষণ হয় ভারতে। গত ৪ মে শ্রীলঙ্কার সেনাপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল মহেশ সেনানায়েকে বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জঙ্গিদের ভারতে প্রশিক্ষণ নেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

যদিও ভয়াবহ হামলা হতে পারে, শ্রীলঙ্কাকে এ বিষয়ে আগেই সতর্ক করছিল ভারত। প্রথম দফায় ৪ এপ্রিল এমন সতর্কতা পাঠানো হয়। বলা হয়, আত্মঘাতী হামলা হতে পারে খুব অল্প সময়ের মধ্যে। দ্বিতীয় দফায় ইস্টার সানডে হামলার আগের দিন শনিবার সতর্ক করা হয়। তাতে সম্ভাব্য লক্ষ্য সম্পর্কে সুস্পষ্ট তথ্য দেওয়া হয়। প্রথম আত্মঘাতী হামলার মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগেও শ্রীলঙ্কাকে সতর্ক করে ভারত। তবে ভারতের এসব সতর্কবার্তা আমলে নেয়নি শ্রীলঙ্কা। এসব সতর্কতার কথা স্বীকার করেছেন শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমাসিংহে।

পৃথিবীর যেখানেই এই ধরণের হামলা হয়েছে সেখানেই নিরাপরাধ মুসলিমদের জীবনে নেমে এসেছ সীমাহীন দূর্ভোগ। বিঘ্নিত হয়েছে তাদের স্বাভাবিক চলাচল। শ্রীলংকার হামালার পরে সেখানে বসবাসরত মুসলিমদের জীবন এখন স্বাভাবিক হয়নি। সারাক্ষন তারা ভুগছেন নিরাপত্তাহীনতায়। এরই মধ্যে মুসলিমদের বাড়িতে বাড়িতে হামলার ঘটনা ঘটেছে। অনেকে আবার ঘর বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছেন। শুধু এখানেই শেষ নয় এর দায়ভার পড়ছে বিশ্বের প্রতিটি অঞ্চলের মুসলিমদের ওপর। নিউইয়র্ক ও লন্ডনের রাস্তায় মুসলিমদের নাজেহাল হওয়া এখন প্রতিদিনে ঘটনা। শ্রীলঙ্কায় জঙ্গি হামলার পর অন্তত একটি মসজিদে পেট্রোলবোমা হামলা চালানো হয়েছে। এছাড়া বান্দারাগামা এলাকায় মুসলিম মালিকানাধীন দু’টি দোকানে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে। দেশ ছাড়তে বাধ্য করা হয়েছে কয়েক শ মুসলিম স্কলারকে। নিষিদ্ধ করা হয়েছে হিজাব-বোরকা।

একই ধরণের ঘটনা আমরা সম্প্রতি দেখেছি নিউজিল্যান্ডে। ২০১৭ সালের ৭ এপ্রিল সুইডেনের স্টকহোম শহরে মুসলিম জঙ্গিদের ট্রাক হামলার প্রতিশোধ নিতেই ক্রাইস্টচার্চের মসজিদে নামাজরত মুসল্লিদের ওপর এলোপাতাড়ি গুলি চালিয়ে ৪৯ জনকে হত্যা করে ব্রেন্ডন ট্যারেন্ট নামের এক স্বেতাঙ্গ সন্ত্রাসী। পরে এ  হত্যাযজ্ঞের জন্য উল্টো মুসলমানদেরই দায়ী করেন অস্ট্রেলীয় সিনেটর ফ্রেসার অ্যানিং। তার দাবি, মুসলিমরা নিউ জিল্যান্ডে প্রবেশের সুযোগ পেয়েছে বলেই সেখানে সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে।

আইএস, আল-কায়েদাসহ জঙ্গি সংগঠনগুলো এবং ধর্মাশ্রয়ী রাজনৈতিক দলগুলো ধর্মের নামে যে বর্বরতা চালাচ্ছে তাতে পবিত্র ধর্ম ইসলাম ও মুসলিম সম্প্রদায় বিশ্বব্যাপী হেয় প্রতিপন্ন হচ্ছে। এমন বর্বরতার সঙ্গে ইসলাম ধর্মের কোনো সম্পর্ক নেই, এ কথা একাধিকবার বিশ্বের বড় বড় ইসলামিক গ্র্যান্ড মুফতিরা বলেছেন। এ উগ্রবাদী ধর্মাশ্রয়ী জঙ্গিগোষ্ঠী ও তাদের রাজনৈতিক প্রশ্রয়দাতাদের প্রতি বিশ্বের মোট মুসলমানদের অতি সামান্য সংখ্যক মানুষের সমর্থন রয়েছে, যা জনসমর্থনের বিবেচনায় একেবারে নগণ্য। তবে তাদের কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে সমগ্র মুসলিম সম্প্রদায়ের ওপর। ক্রাইস্টচার্চের মসজিদে হামলা এবং শ্রীলঙ্কায় জঙ্গি হামলা পরবর্তী মুসলিমদের নিগ্রহের ঘটনা এই সত্যকে সামনে নিয়ে এসেছে। ইসলামি জঙ্গিবাদ দমনে মুসলিমদেরই অগ্রনী ভুমিকা রাখতে হবে। জঙ্গিবাদের সঙ্গে ইসলামের যে কোন সম্পর্ক নেই সেটা আলেম ওলামাদের সোচ্চার কণ্ঠে বলতে হবে। কারণ জঙ্গি হামলার প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে মুসলিমরাই।

শ্রীলঙ্কায় প্রাণঘাতী ভয়াবহ বোমা হামলার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার বাংলাভাষী অঞ্চলে (বাংলাদেশ ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গ) হামলার হুমকি দিয়েছে বর্বর জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেট (আইএস)। গত বৃহস্পতিবার (২৫ এপ্রিল) রাতে আইএসের টেলিগ্রাম চ্যানেলে একটি পোস্টার প্রকাশ করা হয়। ওই পোস্টারে বাংলায় লেখা ছিলো ‘শীঘ্রই আসছি, ইনশাল্লাহ’। এছাড়া ভারত-বাংলাদেশে আল-কায়েদার ভারতীয় উপমহাদেশ শাখার (একিউআইএস) যথেষ্ট তৎপরতা আছে। আইএসের এই হুমকির পর ভারত-বাংলাদেশে নতুন করে জঙ্গি হামলার ঝুঁকি সৃষ্টি হয়েছে।

সম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশে আমরা জঙ্গিবাদের উত্থান দেখেছি। ধর্মীয় উন্মাদনায় গুলশানের হলি আর্টিজানে নির্মম হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে, ব্লগার-লেখক-প্রকাশকদের ওপর আক্রমণ হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যসহ ধর্মীয় সংখ্যালঘু এবং ধর্মযাজকদের ওপর হয়েছে আক্রমণ। বিভিন্ন সময়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে ধরা পড়েছে অসংখ্য জঙ্গি এবং জব্দ হয়েছে প্রচুর গোলাবারুদ।

হলি আর্টিজানে আইএসের ভয়াবহ হামলা ও তৎপরবর্তী সময়ে একের পর এক জঙ্গি আস্তানা আবিষ্কার হওয়ার পর বাংলাদেশে ভয়াবহ জঙ্গি হামলার ঝুঁকির বিয়ষটি প্রকাশ্যে আসে। গুলশান হামলাকারীদের সঙ্গেও ভারতীয় জঙ্গিদের সম্পৃক্ততা ছিল। তাদের অস্ত্র ও গোলাবারুদের সরবরাহ এসেছিল ভারত থেকে। গুলশান হামলায় ব্যবহূত অস্ত্র ভারতের পশ্চিমবঙ্গে তৈরি করা হয়েছিল বলে জানিয়েছে ভারতের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা এনআইএ। পশ্চিমবঙ্গে গ্রেফতার হওয়া জঙ্গিরা জিজ্ঞাসাবাদে গোয়েন্দাদের কাছে এমন তথ্য দিয়েছে।

অসাম্প্রদায়িক চেতনায় বাংলাদেশের জন্ম হয়েছিল, কিন্তু জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্মম হত্যাকাণ্ডের পর স্বৈরশাসকরা বিভিন্ন পর্যায়ে ধর্মকে ব্যবহার করে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিল করতে গিয়ে জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডকে প্রশ্রয় দিয়েছে, সাম্প্রদায়িক মনোবৃত্তিকে উসকানি দিয়েছে। যা আমাদের বহুকালের লালিত অসাম্প্রদায়িক ও সহিষ্ণুতার সংস্কৃতিকে করেছে দুর্বল। ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য মেজর জিয়া ১৯৭২ সালের সংবিধানসহ রাজনৈতিক মতাদর্শ এবং সামাজিক ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আনে। যার ফলে জামায়াতের মতো মৌলবাদি রাজনৈতিক দলগুলো রাজনীতিতে সক্রিয় হয় এবং জঙ্গিবাদের সূচনা করে।

বিগত কয়েক দশকে আমরা দেখেছি কীভাবে বিএনপি, জামায়াত এবং এর অঙ্গসংগঠন ইসলামী ছাত্রশিবির ধর্মান্ধতাকে উসকানি দিয়েছে, ধর্মের নামে রাজনৈতিক ফায়দা হাসিল করেছে। বিএনপির শাসনামলে বাংলাভাই, শায়খ আবদুর রহমানদের জন্ম হয়েছে। তারা রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে নারকীয়তা চালিয়েছে ধর্মীয় সংখ্যালঘুসহ সাধারণ মানুষের ওপর, ঘটিয়েছে নানা ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড। ২০০৪ সালের ২১ আগস্টের বোমা হামলা, ১০ ট্রাক অস্ত্রের চালান, দেশের বিভিন স্থানে বোমা হামলা এবং নিরীহ মানুষের ওপর আক্রমণ ইত্যাদি কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তারা সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদকে মদত দিয়েছে। ২০০৫ সালে জঙ্গিরা দেশের ৬৩টি জেলায় একযোগে বোমা হামলা চালায়।

যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কার্যক্রম শুরু হওয়ার পরপরই দেশের বিভিন্ন স্থানে সন্ত্রাসী হামলা চালানো হয় এবং নিরীহ মানুষকে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়। ২০১৪ সালে জাতীয় নির্বাচনের আগে ও পরে বিএনপি-জামায়াতচক্র জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে ধর্মীয় সংখ্যালঘুসহ আপামর জনগণের ওপর চালিয়েছে নির্মম আক্রমণ, পুড়িয়েছে মানুষ-যানবাহন। এ ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড দেশের অভ্যন্তরে জঙ্গিবাদকে লালন করার সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে।

রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য তরুণ-তরুণীদের ব্যবহার করা হয়েছে জঙ্গি কর্মকাণ্ডে। লক্ষণীয় যে, সম্প্রতি সংগঠিত জঙ্গি হামলাগুলোতে ধনী-শিক্ষিত পরিবারের ছেলেমেয়েদের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে। এসব তরুণ বাংলাদেশের সংস্কৃতি, সমৃদ্ধ ইতিহাস, শতবর্ষের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান ও ঐতিহ্য সম্পর্কে অবগত নয় বলেই হিজবুত তাহরিরের মতো উগ্র জঙ্গি সংগঠনগুলো এদের সহজেই বিপথে চালিত করতে পারে।

দুঃখজনক হলেও সত্য, গ্রেফতারকৃত জঙ্গিদের প্রায় সবাই বিএনপি বা জামায়াতের সঙ্গে সম্পৃক্ত। ২০১৬ সালের ২৩ ডিসেম্বর পুলিশি অভিযানের সময় একজন কুখ্যাত জঙ্গির স্ত্রী নিজেকে বোমা দিয়ে উড়িয়ে দিয়েছে। ২০১৭ সালের ২৮ মার্চ সিলেটে পুলিশি অভিযানের সময় দুজন মহিলাকে কোমরে বোমা বাঁধা অবস্থায় গ্রেফতার করা হয়, যা প্রমাণ করে জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে আমাদের নারীরাও জড়িয়ে যাচ্ছে। সন্ত্রাসী সংগঠন, যেমন- আনসারুল্লাহ বাংলা টিম, হিযবুত তাহরির বা নব্য জেএমবি’র বাংলাদেশ প্রোফাইল পর্যালোচনা করলে বোঝা যায়, আমাদের দেশের অভ্যন্তরে জঙ্গিরা সক্রিয় আছে এবং তাদের আন্তর্জাতিক পর্যায়ে যোগাযোগও রয়েছে। এসব জঙ্গি সংগঠন আমাদের শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য বিশাল হুমকি।

সন্ত্রাসীদের কোনও ধর্ম নেই। ইসলাম শান্তির ধর্ম, ইসলাম জঙ্গিবাদ বা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বা হত্যাকাণ্ড সমর্থন করে না। ইসলামে ধর্ম নিয়ে জোর জবরদস্তি না করার কথা বলা হয়েছে, অন্য ধর্মকে সম্মান প্রদর্শন করতে বলা হয়েছে। একজন প্রকৃত মুসলিম, প্রকৃত ধার্মিক কখনো নিরীহ মানুষদের হত্যা করতে পারে না। কিন্তু আমরা দেখছি, সমগ্র বিশ্বে এমনকি আমাদের দেশের কিছুসংখ্যক ব্যক্তি এবং গোষ্ঠী তাদের হীনস্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য ইসলামের অপব্যাখ্যা দিয়ে সাম্প্রদায়িকতা ও জঙ্গিবাদকে উসকে দিচ্ছে, যা কেড়ে নিচ্ছে অসংখ্য প্রাণ। ধর্মের ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে যুব সমাজকে বিপথে নিয়ে যাওয়ার ষড়যন্ত্র আমাদের সমৃদ্ধি ও শান্তির পথে অন্তরায়।

ধর্মের অপব্যাখ্যা রোধে আলেম-ওলামাদের এগিয়ে আসতে হবে। এরই আলোকে প্রত্যেক ধর্মের ধর্মগুরুদের এগিয়ে আসতে হবে, তাদের একযোগে কাজ করতে হবে ধর্মের সঠিক ব্যাখ্যা প্রদানে এবং আমাদের যুব সমাজকে জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসের ভয়াবহতার কথা বোঝাতে হবে। বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ ধর্মপ্রাণ, তাদের ধর্মীয় অনভূতিতে আঘাত দিয়ে কেউ যেন কোনও ফয়দা না নিতে পারে তার জন্য আমাদের সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। সকল ধর্ম ও মানুষের প্রতি মমত্ববোধ, সহিষ্ণুতার প্রচার ও প্রসার ঘটাতে হবে। এক্ষেত্রে আমাদের আলেম সমাজ, ধর্মীয় গুরু, নাগরিক সমাজ, শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং গণমাধ্যমগুলোকে একযোগে কাজ করতে হবে।

বিভিন্ন ধর্মের-বর্ণের তরুণ-তরুণীদের বোঝাতে হবে আন্তঃধর্মীয় সম্প্রীতির গুরুত্ব এবং জঙ্গিবাদের কুফল। তরুণ সমাজ ও শিক্ষার্থীরা যেন কোনও প্রকার প্রলোভনে না পড়ে কিংবা বিপথে চলে না যায় সে ব্যাপারে আলেম সমাজ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবেন। প্রয়োজনে জঙ্গিবাদ রোধকল্পে আলেম সমাজকে প্রশিক্ষণ দিতে হবে। কারণ, তারাই আমাদের তরুণ সমাজকে সুপথে পরিচালিত করতে বিশাল ভূমিকা রাখেন।

লেখক- সাংবাদিক ও কলামিস্ট

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/জিএম

উপরে