আপডেট : ২২ মার্চ, ২০১৬ ১০:২৯

পুনর্বিবেচনায়ও স্থগিত হলো স্ট্যান্ডার্ড ইনস্যুরেন্সের নিবন্ধন

অনলাইন ডেস্ক
পুনর্বিবেচনায়ও স্থগিত হলো স্ট্যান্ডার্ড ইনস্যুরেন্সের নিবন্ধন

পুনর্বিবেচনায়ও (রিভিউ) স্ট্যান্ডার্ড ইনস্যুরেন্স কোম্পানির নিবন্ধন স্থগিতই রাখল বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ)।
আইডিআরএ ২১ মার্চ সোমবার তা জানিয়ে স্ট্যান্ডার্ড ইনস্যুরেন্সের চেয়ারম্যান এইচ টি এম কাদের নেওয়াজকে চিঠি পাঠিয়েছে।
সন্তোষজনকভাবে পুনর্বিমা না করা, সাময়িক স্থগিতাদেশের পরও ব্যবসা অব্যাহত রাখা, সাধারণ বীমা করপোরেশনের সঙ্গে পুনর্বিমা করার ক্ষেত্রে শর্ত ভঙ্গসহ মোট পাঁচটি কারণে কোম্পানিটির নিবন্ধন স্থগিত করা হয়েছে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
গত নভেম্বরে তিন মাসের জন্য নিবন্ধন স্থগিতের পর নিয়মানুযায়ী ডিসেম্বরে আইডিআরএর কাছে নিবন্ধন ফেরত চেয়ে পুনর্বিবেচনার আবেদন করে স্ট্যান্ডার্ড ইনস্যুরেন্স।
আবেদনে স্ট্যান্ডার্ড ইনস্যুরেন্সের পর্ষদ চেয়ারম্যানের পদত্যাগ ও আইন মেনে চলার অঙ্গীকার এবং কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার নিশ্চয়তার কথা উল্লেখ করা হয়। নিবন্ধন বাতিলের কারণে শেয়ারবাজারে প্রতিক্রিয়া এবং স্ট্যান্ডার্ড ইনস্যুরেন্সের ৩০০ কর্মকর্তা-কর্মচারীর ভবিষ্যৎ নিয়েও আশঙ্কা করা হয় আবেদনে। কিন্তু আইডিআরএ কিছুই আমলে নেয়নি।
নিবন্ধন বাতিলের চিঠিতে আইডিআরএ বলেছে, যেসব অভিযোগের ভিত্তিতে নিবন্ধন স্থগিত করা হয়েছিল, সেগুলো নিয়ে কোনো আপত্তি জানানো হয়নি। তাই পুনর্বিবেচনার আবেদন গ্রহণ করার কোনো অবকাশ নেই।
গাজীপুরের জারুন নামক এলাকায় ২০১৩ সালের ২৮ নভেম্বর মধ্যরাতে স্ট্যান্ডার্ড গ্রুপের ১০ তলাবিশিষ্ট পোশাক কারখানার ভবন আগুন লেগে পুড়ে যায়। ভবনটিতে অনেক পোশাক কারখানা ছিল। এগুলোর বিমা করা হয় স্ট্যান্ডার্ড ইনস্যুরেন্স কোম্পানিতে, যেটির বেশির ভাগ শেয়ারেরই মালিক স্ট্যান্ডার্ড গ্রুপ।
আগুন লাগার ঘটনার পর আইডিআরএ ১৮৯ পৃষ্ঠার তদন্ত প্রতিবেদন তৈরি করে, যাতে নানা অনিয়মের চিত্র উঠে আসে।
জানা গেছে, আইডিআরএর স্থগিতাদেশের বিরুদ্ধে বিমা আইনের ১০(৭) ধারা অনুযায়ী ৯০ দিনের মধ্যে সরকারের কাছে আপিল করতে পারবে স্ট্যান্ডার্ড ইনস্যুরেন্স কোম্পানি।

সূত্র: প্রথম আলো

উপরে