আপডেট : ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ ১৩:৩১

আলোর ঝলকানি দেখছে তামাবিল স্থলবন্দর

বিডিটাইমস ডেস্ক
আলোর ঝলকানি দেখছে তামাবিল স্থলবন্দর

সিলেটের তামাবিল স্থলবন্দর আবার আলোর মুখ দেখছে। বছরখানেক ধরে ভারত থেকে পাথর ও চুনাপাথর আমদানি বন্ধ রয়েছে। এতে উভয় দেশের ব্যবসায়ীরা ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন । অবশেষে সুড়ঙ্গের শেষ পথে আশার আলোর ঝলকানি দেখা যাচ্ছে।

তামাবিল পাথর, চুনাপাথর ও কয়লা আমদানিকারক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক লিয়াকত আলী বলেন, ভারতের যে অভ্যন্তরীণ আইনি সমস্যার কারণে পাথর আমদানি বন্ধ ছিল এতোদিন। সেটি এবার ভারতীয় কর্তৃপক্ষ আইনানুগভাবে বিষয়টির সুরাহা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

তামাবিল স্থলবন্দর সূত্রে জানা যায়, পরিবেশ বিপর্যয়, ভারতের মেঘালয় রাজ্যের অভ্যন্তরীণ প্রশানসিক, আইন ও বিচার বিভাগীয় জটিলতায় গত বছরের শুরু থেকেই বারংবার বন্ধ হয়ে পড়ে তামাবিল স্থলবন্দর দিয়ে পাথর ও চুনাপাথর আমদানি। তবে গত বছরের ১২ আগস্ট থেকে সম্পূর্ণভাবে এ স্থলবন্দর দিয়ে পাথর আমদানি বন্ধ রয়েছে।

তামাবিল স্থলবন্দর দিয়ে পাথর আমদানি বন্ধ থাকায় এ স্টেশনের প্রায় ৩০ হাজার শ্রমিক বেকার হয়ে পড়েছেন। লোড-আনলোডের কাজ না থাকায় তারা অলস সময় পার করছেন। এতে করে তাদের আয়ের পথও বন্ধ হয়ে গেছে। এদিকে সরকারও হারাচ্ছে রাজস্ব।

তবে গুরুত্বপূর্ণ এ স্থলবন্দরটি পুনরায় পুরোদমে সচল হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। এ বন্দর দিয়ে পুনরায় পাথর-চুনাপাথর আমদানি শিগগিরই শুরু হতে পারে বলে ধারণা করছেন সংশ্লিষ্টরা। এ লক্ষ্যে গত শনিবার বাংলাদেশের ব্যবসায়ী, আমদানিকারকরা ভারতের তিনটি সংগঠনের সমন্বয়ে গঠিত কোর কমিটির সাথে বৈঠকে মিলিত হয়। বৈঠকে তামাবিল দিয়ে পুনরায় পাথর আমদানি শুরু করতে উভয়পক্ষই নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

তামাবিল পাথর, চুনা পাথর ও কয়লা আমদানিকারক গ্রুপের যুগ্ম-সম্পাদক ইলিয়াছ উদ্দিন লিপু জানান, তামাবিল স্থলবন্দর দিয়ে পাথর-চুনাপাথর আমদানি বন্ধ থাকায় ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন পাথর আমদানিকারক, রফতানিকারক এবং শ্রমিকরা। পরিবহন সেক্টরেও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/জেডএম

উপরে