আপডেট : ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ ১৮:০২

বাংলাদেশি মাছের আঁশে তৈরী হচ্ছে ঔষধের মোড়ক

অনলাইন ডেস্ক
বাংলাদেশি মাছের আঁশে তৈরী হচ্ছে ঔষধের মোড়ক

এক সময় বাজারে বা বাড়িতে মাছের আঁশ তুলে তা ফেলে দেয়া হতো। কিন্তু এখন সেই ফেলে দেওয়া আঁশ রপ্তানী পণ্যে পরিণত হয়েছে। মাছের এই আঁশ এখন বিদেশে রফতানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা আয় হচ্ছে। চাঁদপুরসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে রপ্তানীর জন্য সংগ্রহ করা হচ্ছে মাছের ফেলে দেওয়া আঁশ। 
রফতানিকারকরা জানিয়েছেন, এসব আঁশ বিদেশে ক্যাপসুলের মোড়ক তৈরির কাজে ব্যবহার করা হয়। কয়েক মাস অন্তর অন্তর পাইকাররা ঢাকা ও চট্টগ্রাম থেকে চাঁদপুর এসে এসব আঁশ সংগ্রহ করে নিয়ে যাচ্ছে। আর স্থানীয় সংগ্রহকারীরা পাচ্ছে প্রচুর টাকা। কিন্তু চাহিদা অনুযায়ী আঁশ সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে না।
মাছের আঁশ সংগ্রহকারী নুরুল ইসলাম জানান, প্রতিদিন বাজার থেকে মাছের আঁশ সংগ্রহ করে তা ধুয়ে রোদে শুকানো হয়। আঁশ ভালোভাবে শুকানো হলে তা বাজারজাতের উপযোগী করে বস্তাবন্দি করে রাখা হয়। ৩/৪ মাস পর ঢাকা ও চট্টগ্রাম থেকে পাইকার আসলে মণ প্রতি ৪ হাজার টাকায় এসব আঁশ বিক্রি করা হয়।
 আঁশ সংগ্রহকারী একজন পাইকার  জানান, মাছের আঁশ দিয়ে বিদেশে ক্যাপসুল ঔষধের মোড়ক তৈরি করা হয়। যদিও চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ দিতে না পারায় বিদেশিরা আঁশ সংগ্রহ বন্ধ করে দিয়েছিল। বর্তমানে আবার রফতানি শুরু হয়েছে। তবে দাম আগের তুলনায় অনেক কম। 
সারাদেশে মাছের আঁশ সংগ্রহকারীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেলে এবং ভালো মানের আঁশ সংরক্ষণের ব্যবস্থা করলে বিদেশে এসব আঁশ রফতানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব।

সরকার এ ব্যাপারে এগিয়ে আসলে বা কোরো দফতরকে দেখভালের দায়িত্ব দিলে আঁশ সংগ্রহের পরিমাণ বাড়বে। এতে বেকারত্বের সংখ্যা যেমন কমবে, তেমনি বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের মাধ্যমে দেশ উপকৃত হবে।

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/জিএম 

উপরে