আপডেট : ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ ১৫:১৬

কাঁচা বাজারে কমেছে, বেড়েছে নিত্যপণ্যের দাম

অনলাইন ডেস্ক
কাঁচা বাজারে কমেছে, বেড়েছে নিত্যপণ্যের দাম

শীতের শেষের দিকে এসে সবজির বাজারে বেশ স্বস্তি মিলেছে। তবে চাল, ডাল, চিনি ও লবণের মতো কিছু নিত্যপণ্যের দাম বাড়ায় সে স্বস্তি উপভোগ করতে পারছেন না ক্রেতারা।

শনিবার (০৬ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর কয়েকটি কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে, অধিকাংশ সবজিই এখন গত এক বছরের মধ্যে সবচেয়ে কম দামে বিক্রি হচ্ছে।

বিক্রেতারা বলছেন, এখন আলু, পেঁয়াজ, টমোটো ও বেগুনের ভরা মৌসুম। তাই এগুলোর দামও অনেক কম।

আবার ফুল ও বাঁধা কপির মৌসুম শেষ দিকে। চাষীরা তাদের ক্ষেতে নতুন ফসল ফলানোর প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তাই একসঙ্গে সব সবজি তুলে বাজারে পাঠাচ্ছেন। এতে সরবরাহ বেড়ে যাওয়ায় দাম কমেছে।

মৌসুমের শুরুতে আলুর দাম ১০০ টাকা পর্যন্ত উঠলেও বাজার ঘুরে দেখা গেছে, এখন আলু মান ভেদে ১২ থেকে ১৪ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আর সুপার শপ ‘স্বপ্ন’ আলু বিক্রি করছে ৮ টাকা কেজিতে। আলুর দাম আরও কমবে বলে মনে করছেন কাঁচাবাজার ব্যবসায়ীরা।

প্রতিকেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ২২ থেকে ২৫ টাকায়। বছরের একটা বড় সময় ৬০ থেকে ৬৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে এই নিত্যপণ্য। 

এখন টমেটো পাওয়া যাচ্ছে ১৫ টাকা কেজি দরে। শীত ছাড়া সারা বছর ভারতীয় টমেটো ৯০ থেকে ১২০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। শীতের শুরুতে দেশি টমেটো বাজারে আসতে শুরু করলে পণ্যটির দাম কমতে থাকে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, আগামী সপ্তাহে টমেটোর দাম আরও কমতে পারে।

গোপীবাগ কাঁচাবাজারের এক ব্যবসায়ী বলেন, “এখন বাজারে প্রচুর মাল আসছে, দাম কম। কয়েকদিন পরে যখন মাল থাকবে না তখন দাম বাড়বে। টমেটো, কাঁচা মরিচ ভারত থেকে আমদানি হয়। কিন্তু দেশে এত টমেটো হচ্ছে সেগুলো রাখার ব্যবস্থা নেই।

তিনি মনে করেন, কাঁচামাল ছয় মাসও রাখার ব্যবস্থা থাকলে উৎপাদক ও ভোক্তা সবাই উপকৃত হতো।

বেগুনের দামও কমে প্রতিকেজি ২৫ থেকে ৩০ টাকায় নেমেছে। মূলার দাম কমে বিক্রি হয় ১২ থেকে ১৫ টাকা কেজি দরে।

ফুল ও বাঁধা কপি আকার ও মান ভেদে ১২ থেকে ২০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে। তবে সিমের দাম কিছুটা বেড়ে ৩০ থেকে ৩৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতে দেখা যায়।

তবে রসুনের দাম বেড়েছে। দেশি রসুন গত সপ্তাহের তুলনায় কেজিতে ৫ টাকা বেড়ে ১৪৫ টাকা পর্যন্ত উঠেছে।

 

চিকন চাল গত মাসের তুলনায় কেজিতে ২ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। এদিন ভালো মানের নাজিরশাইল ও মিনিকেট ৫৫ থেকে ৫৭ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়।

এক মাসের ব্যবধানে মসুর ডালের দাম কেজিতে প্রায় ২৫ টাকা বেড়ে ১২৫ থেকে ১৪০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। দেশি ডাল বাজারে না আসা পর্যন্ত দাম কমার সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

এদিকে চিনির দাম বেড়েই চলেছে। প্রতিকেজি খোলা চিনি বর্তমানে ৪৮ থেকে ৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহেও সর্বোচ্চ ৪৮ টাকায় পাওয়া গেছে চিনি।

লবণের দাম এক মাসের ব্যবধানে বেড়েছে ২৫ শতাংশ। কোম্পানি ভেদে প্যাকেট লবণ ২৫ থেকে ৩২ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/জিএম

উপরে