আপডেট : ১১ মার্চ, ২০১৬ ১১:১৭

কে বেশি ক্রেজি, ফাওয়াদ, না সিদ্ধার্থ?

অনলাইন ডেস্ক
কে বেশি ক্রেজি, ফাওয়াদ, না সিদ্ধার্থ?

• ‘কপূর অ্যান্ড সন্স’ এক ভাঙন-ধরা পরিবারকে নিয়ে। আপনার অভিনীত চরিত্রটি এই ছবির ঠিক কোন বিন্দুতে?

—টিয়া নামে যে চরিত্রটিতে আমি অভিনয় করছি, তার একটা বড় জায়গাই হল মজা। টিয়া এমনই এক মেয়ে, যে সব কিছুতেই মজা খুঁজে পায়। প্রতি মুহূর্তেই সে আশা করে, একটা মজার কিছু ঘটবে। সারাক্ষণই সে লোকের পিছনে পড়ে থাকে। কিন্তু তার চরিত্রে কিছু সিরিয়াস দিকও রয়েছে। তার জীবনে এমন একটা কিছু রয়েছে, যা সে সকলের কাছ থেকে গোপন রাখতে চায়।  

• টিয়ার সঙ্গে আপনার ব্যক্তিগত চরিত্রের কোনও মিল রয়েছে কি?
—টিয়ার যে জায়গাটা সবাই দেখতে পায়, সেটা তার নাচ, তার হই-চই। আমিও মুড ভাল থাকলে বন্ধুদের সঙ্গে তা-ই করি। কিন্তু এর উল্টো দিকও রয়েছে। সময় সময় বিষণ্নতাও তো আসে। আসলে আমি ভীষণই মুডি। মৎস্য রাশি তো! টিয়ার সঙ্গে আমার কোথাও কোথাও মিল রয়েইছে। টিয়া ছবিতে যা করেছে, আমি তার কিছু কিছু নিজের জীবনেও ঘটিয়েছি। সেই সঙ্গে এমনও অনেক কিছু রয়েছে, যা টিয়া করেছে, কিন্তু আমি করিনি। আমি টিয়ার মতো সরব নই। বরং আমি তার চাইতে অনেক হাইপার।

• সিদ্ধার্থ মালহোত্র এবং ফাওয়াদ খানের সঙ্গে কাজ করতে কেমন লাগল?
—দু’জনই দারুণ। শ্যুটিংয়ে দরুণ মজা সকরেছি। ফাওয়াদ এবং সিদ্ধার্থ চুটিয়ে ক্রিকেট খেলেছে। আমরা ডাম্ব শ্যারেড আর গোল্ড স্পট খেলেছি। একটা গোম-ফেস্টের মতো কেটেছে দিনগুলো। শ্যুটিং করছি, মনেই ছিল না।  

• কে বেশি ক্রেজি, ফাওয়াদ, না সিদ্ধার্থ?
—ওরা দু’জনেই ক্রেজি। সিদ্ধার্থ সব সময়েই লোকের পিছনে লাগে। ফাওয়াদের একাবারই নিজস্ব একটা রসবোধ আছে। তার অনেকটাই ব্যঙ্গাত্মক। সে-ও পিছনে লাগায় কম যায় না। দু’জনের তরিকাটা দু’রকমের, এই যা।

• আগের ছবি ‘শানদার’ তোমন হিট করেনি। এটা কি আপনার ছবি বাছাইকে প্রভাবিত করেছে?
—আমি বেছেই ছবি করি। আগে ছবির স্ক্রিপ্ট পড়তাম। এখন তার ন্যারেশনটাও জানতে চেষ্টা করি।

• এই বাছাইটা করেন কীসের ভিত্তিতে?
—‘কপূর অ্যান্ড সন্স’-এ আমার স্ক্রিন টাইম খুবই কম। ছবির কেন্দ্রেই রয়েছে কপূর পরিবার। আমি ছবির কোয়ালিটি আর ক্যারেক্টার দেখি। ভাল হলে রাজি হই। যদি ছবি ভাল হয় আর চরিত্র সাদামাটা, পরিচালককে অনুরোধ করি ক্যারেক্টার নিয়ে ভাবতে। ‘কপূর অ্যান্ড সন্স’ ভাল ছবি, টিয়াও ভাল চরিত্র। আমি রাজি হই।

• আপনার একজন সহ-অভিনেতা জানিয়েছেন, আপনি একজন স্বতঃস্ফূর্ত অভিনেতা, যিনি কোনও প্রস্তুতি ছাড়াই সহজে একটা চরিত্রে ঢুকে পড়তে পারেন। এটা কি সত্যি?
—যেখানে প্রস্তুতি প্রয়োজন, সেখানে অবশ্যই প্রস্তুতি নিই। আসলে যে চরিত্র যেমনভাবে আসে...। আমি সেক্ষেত্রে পরিচালকের মতকেই গুরুত্ব দিই।

• কোন পরিচালকের অনুভূতি মালিয়ে কাজ করা সবথেকে দুরূহ?
—শাকুন বাত্রা। তাঁকে ‘ডিফিকাল্ট’ বলব না, তিনি খুব পার্টিকুলার। ঠিকঠাক পারফর্ম্যান্স পাওয়ার জন্য তিনি সচেষ্ট থাকেন। এক সময়ে সেটা ম্যাজিকের মতো ঘটেও যায়।

• শাহরুখ খানের সঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার করতে চলেছেন। এক বছর আগেও দর্শক আপনার প্রজন্মের নায়িকারকে খান-প্রজন্মের নায়কের বিপরীতে দেখতে অভ্যস্ত ছিল না। আপনি শাহরুখের বিপরীতে নামলে —আপনার প্রজন্মের অভিনেত্রীদের কাছে তা একটা উদাহরণ হবে।
আজও বয়স্ক অভিনেতাদের বিপরীতে অভিনয়ের অফার পাই। কারণ, সিনেমা মানেই আর লাভ স্টোরি নয়। ছবিতে সম্পর্কের জটিলতা বেড়েছে।, জীবনের বহু সূক্ষ্ণ মুহূর্তকে ছবি ধরতে চাইছে এখন। ফলে, তেমন অফার আসতেই পারে। 

শাকুন বাত্রার ছবি ‘কপূর অ্যান্ড সন্স’ মুক্তি পাচ্ছে এপ্রিলে। এই ছবিতে ‘টিয়া’ নামের একটি চরিত্রে অভিনয় করছেন আলিয়া ভট্ট।সাক্ষাতকারে  সুন্দর মুখ আর অফুরান প্রাণশক্তির নায়িকার মুখোমুখি হয়েছিল এবেলা.ইন।

উপরে