আপডেট : ২৪ জুন, ২০১৭ ১৪:০৫

এই ৫ কারণেই প্রেগন্যান্সিতে বেশি খিদে পায়

অনলাইন ডেস্ক
এই ৫ কারণেই প্রেগন্যান্সিতে বেশি খিদে পায়

মা হওয়ার সময় শরীর কী রকম আচরণ করছে অনেক সময়ই বুঝে উঠতে পারেন না হবু মায়েরা। কখনও বমি বমি ভাবে কিছুই খেতে পারেন না, কখনও আবার সারা দিনই খিদে পায়। নানা রকম খেতে ইচ্ছা হয়। খাই খাই সামাল দিতে অনেকেই বেশি খেয়ে ফেলেন। ফলে ওজনও বেড়ে যেতে পারে। জেনে নিন ডাক্তার, ডায়েটিশিয়ানরা এই সময় খিদে বাড়ার মূল যে কারণগুলো বলে থাকেন।

খিদে বাড়ে

শিশু গর্ভে বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শরীরের ক্যালোরির প্রয়োজন থাকে। প্রথম ত্রৈমাসিকে গর্ভস্থ শিশু ছোট থাকায় বেশি খিদে পায় না। দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে গর্ভে শিশু যত বাড়তে থাকে খিদে ততই বেড়ে যেতে থাকে। রক্ত সঞ্চালন মেটাবলিজম বাড়িয়ে দেওয়ায় বার বার খিদে পায়।

হরমোন

খাওয়া নিয়ন্ত্রণ করার ব্যাপারে হরমোনের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। প্রেগন্যান্সিতে শরীরে প্রোজেস্টেরনের মাত্রা বেড়ে যায়। যা লেপটিন ও গ্রেলিন হরমোনের উপর প্রভাব ফেলে। লেপটিন খিদে কমিয়ে দেয়, গ্রেলিন খিদে বাড়ায়। শরীর এই সময় লেপটিনের সঙ্কেত বিশেষ বুঝতে পারে না। তাই গ্রেলিন বেড়ে যাওয়ার কারণে বার বার খিদে পেতে থাকে।

অনিয়ন্ত্রিত খাওয়ার ইচ্ছা

প্রেগন্যান্সিতে নানা রকম খাবার খেতে ইচ্ছা হওয়া খুবই স্বাভাবিক ব্যাপার। এই ইচ্ছা হওয়ার কোনও বৈজ্ঞানিক কারণ ডাক্তাররা দিতে পারেননি। তবে অনেকে মনে করেন শরীরে যে উপাদানের ঘাটতি রয়েছে সেই উপাদানযুক্ত খাবার খেতে ইচ্ছা হয়। এই ইচ্ছা সামলাতে না পেরে অনেকেই বার বার খেতে থাকেন।

এম্পটি ক্যালোরি

খাই খাই মেটাতে যদি এমপ্টি ক্যালোরি খেতে থাকেন তা হলে বার বার খিদে পাবে। মিষ্টি বা ফ্যাটি খাবারকে ডায়েটিশিয়নরা এম্পটি ক্যালোরি বলে থাকেন। এগুলো খেলে তখন পেট ভরে যায়। কিন্তু ফাইবার না থাকায় বেশিক্ষণ পেটে থাকে না। ফলে কিছুক্ষণ পরই আবার খিদে পাবে। এই সব এম্পটি ক্যালোরি পুষ্টি তো দেয়ই না, বরং প্রেগন্যান্সিতে ওজন বেড়ে যেতে পারে।

কম খাওয়া

পরিমাণ মতো না খাওয়াও বার বার খিদে পাওয়ার কারণ হতে পারে। কিন্তু প্রেগন্যান্সিতে অতিরিক্ত ওজন বে়ড়ে যাওয়া যেহেতু স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর তাই ক্যালোরির পরিমাণ খেয়াল রাখুন। এক বারে না খেয়ে বার বার খেতে থাকুন। যা খাবেন তা কিন্তু আপনার শিশুর স্বাস্থ্যের উপরও প্রভাব ফেলবে। নিজেকে হাইড্রেটে়ড রাখুন। তা হলে খিদে কম পাবে।

যদি খুব বেশি খিদে পেতে থাকে, তা হলে নিউট্রিশনিস্টের সঙ্গে কথা বলুন। ডায়েটে কিছু পরিবর্তন এনে সমস্যা দূর করা যেতে পারে। ডাক্তারের দেওয়া ওয়েট চার্ট দেখে খাওয়া দাওয়া করুন।

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/বুলা

উপরে