আপডেট : ১ মার্চ, ২০১৬ ১৮:৫১

নারীর জীবনে সুন্দর সময় ফিরিয়ে আনে বয়সে ছোট প্রেমিক!!

বিডিটাইমস ডেস্ক
নারীর জীবনে সুন্দর সময় ফিরিয়ে আনে বয়সে ছোট প্রেমিক!!

‘প্রত্যেক নারীর জীবনে এমন একজন প্রেমিক আসা উচিত যার সঙ্গে বয়সের বেশ ব্যবধান থাকে’ এমনই অভিমত ব্রিটিশ তারকা শেরিল ফার্নান্দেজ ভাসিনির। সম্পর্কের বিষয়ে একটু ভিন্নতা চান শেরিল । ৩২ বছর বয়সী এই সুন্দরী গোপনে ২২ বছর বয়সী লিয়ম পেইনের সঙ্গে ডেটিং করছেন।

শেরিলের মতের সঙ্গে অনেক নারীই একমত। এমনকি এ প্রতিবেদন যিনি লিখেছেন, এলিস-জাজ টালবোট, তিনিও ঐকমত্য প্রকাশ করেছেন। শেরিলের সম্পর্ক এবং নিজের জীবনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন এলিস।

একদিন বন্ধুর বাসায় এক পার্টিতে এলিসের সঙ্গে দেখা হয় স্যামের। ছেলেটি এলিসের চেয়ে বয়সে বেশ ছোট। ভালো লেগে যায় তাকে। বেশ কিছু সময়ের আলাপচারিতায় সম্পর্ক আরেকটু গভীরে যায়।

স্বামীর সঙ্গে সম্পর্ক বিচ্ছেদের এক বছর হয়ে গেছে এলিসের। এ সময়টাতে খুব সিরিয়াস কোনো সম্পর্কে জড়াতে চাইছিলেন তিনি। মনে হচ্ছিল বয়সে ৫ বছরের ছোট স্যামই তার জীবনের সুন্দর সময় ফিরিয়ে আনতে পারে।

এলিস এবং শেরিল উভয়ের ক্ষেত্রেই প্রেমিকের বয়স বেশ কম। যদিও এলিসেরটা খুব বেশি নয়। তবে সময়টা যাই হোক না কেন, প্রেমিকরা তাদের চেয়ে পরিবর্তিত একটা সময়ে বেড়ে উঠেছেন।

নারীদের সম্পর্ক ভাঙনের পরের সময়টাতে এমন কাউকে দরকার হয় যিনি তার সত্যিকারের সঙ্গী হতে পারবেন। বয়সে কম পুরুষের কাছে মনের কথা উজাড় করা যায় বলে মনে করেন এলিস। তবে স্যামের সঙ্গে বিছানায় যাওয়া বা দুষ্টুমির ক্ষেত্রে প্রায়ই কেমন কেমন লাগে এলিসের। কিন্তু শেষ অবধি বিষয়টা আরো গভীর হয়ে ওঠে।

স্যামের কাছে জীবনের একটা নির্যাস রয়েছে যা এলিসের জীবনে নিয়ে এসেছেন। এলিসের অভিজ্ঞতা ও সফলতা সম্পর্কে সচেতন তিনি। এ ছাড়া এলিসের মতো বয়সে বড় প্রেমিকা পেয়ে স্যাম আরো বেশি উদার হয়ে ওঠেন। সম্পর্ক বিষয়ে তার ধারণা আরো বিকাশ লাভ করতে থাকে। নিজের ক্যারিয়ার ও পরিবার বিষয়ে তার চিন্তা ও প্রাণশক্তির স্ফূরণ ঘটে।

স্যামের সঙ্গে এলিসের সম্পর্ক আরো ভালো করতে দামি রেস্টুরেন্টে যেতে হয় না। তারা পার্কের রাস্তা ধরে হাঁটেন এবং এটা তারা দারুণ উপভোগ করেন।

শেরিল যখন লিয়ামের সঙ্গে ইন্সটাগ্রামে নিজেদের ছবি দেন, তখন স্যামের সঙ্গে লিয়ামের কোনো পার্থক্য চোখে পড়ে না। তারা দুজনই এ সম্পর্ককে দীর্ঘমেয়াদি করতে চান। মূলত নারীদের চেয়ে বয়সে ছোট প্রেমিকরা বিয়েটাকে আরো বেশি সিরিয়াস বিষয় হিসাবে দেখেন।

তাই শেরিলের এ সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানান এলিস। কারণ সম্পর্কের আগের তিক্ত অভিজ্ঞতা থেকে তিনি হয়তো সত্যিকার শিক্ষাটা নিয়েছেন। জীবনসঙ্গী হিসাবে এমন একজনকে বেছে নিয়েছেন যা কিনা বাস্তবতা।
সূত্র : টেলিগ্রাফ

উপরে